অপ্রয়োজনীয় জায়গায় লোম ওঠা বন্ধ করবেন কিভাবে?

|| অপ্রয়োজনীয় জায়গায় লোম ওঠা বন্ধ করবেন কিভাবে? ||

        অনেক মহিলা বা মেয়েদের মুখের ওপর ওঠা লোমেরে কারণে অনেক সমস্যা হয়ে থাকে। ভ্রূফিলাপের সাথে সাথে মুখের অন্যান্য লোমও শেভিং এর মাধ্যমে সরাতে হয়। তবে চুল সম্বন্ধে সবচেয়ে মুশকিল ব্যাপার হল, চুল ওই জায়গায় বেশি হয় যেখানে আমরা বেশি শেভিং করি। আপনি যদি কোথাও লোম শেভিং করেন, কাটেন বা তুলে দেন তাহলে অবশ্যই সেই জায়গায় আবার লোম গজাবে।
       কিন্তু আয়ুর্বেদ উপায়ে আপনার চিরদিনের মত লোম ওঠা বন্ধ করে দিতে পারে। অনেক মেয়েরা পরিবারে কোনো বিয়ে হলে তার এক-দু মাস আগে থেকেই পরিচর্যা করতে শুরু করে। কিন্তু তাদের মূল চিন্তা থাকে ভ্রূ এবং মুখের উপর ওটা লোম নিয়ে। যেমন- ঠোটের উপর গোঁফ-এর জায়গায় এবং অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় জায়গায় লোম উঠলে সেটা চিন্তার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। দেখা যাক, আয়ুর্বেদিক উপায়য়ে এই সমস্যার সমাধান। এরপর থেকে আপনার অপ্রয়োজনীয় জায়গায় লোম ওঠা নিয়ে আর চিন্তা থাকবে না।

  •   শঙ্খের চূড়া প্রায় ২০গ্রাম, হরিতাল 10 গ্রাম, মেনসিল পাউডার ৬গ্রাম নিতে হবে। এবার এই তিনটে জিনিসকে জলের সাথে মিশিয়ে একটা প্রলেপ বানাতে হবে, তারপর অপ্রয়োজনীও জায়গায় যেখানে লোম ওঠে সেখানে লাগিয়ে দিতে হবে। এই প্রলেপকে খুব সাবধানে লাগাতে হবে কারণ এটা যেখানে লাগানো হবে সেখানে আর চুল উঠবে না। এটাকে ভ্রূর উপর ব্যবহার করা যাবে না। একটা কথা মনে রাখবেন এই প্রলেপটা সাত দিন টানা লাগালে সেই জায়গায় কোনদিনই চুল উঠবে না। তবে এটা আপনার চামড়ার কোনো ক্ষতি করবে না।


  •   আরও একটা উপায় আছে যেটা করলো অপ্রয়োজনীয় জায়গায় লোম ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে। সামি গাছের বীজ বেটে অপ্রয়োজনীয় জায়গায় যেখানে লোম ওঠে সেখানে সেভ করে তারপর এর প্রলেপ লাগিয়ে দিতে হবে।  এই প্রক্রিয়া করতে থাকলে অপ্রয়োজনীয় জায়গায় লোম ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে।
  •   খোরাসানী আজবাইন এবং আফিন দুটোই অর্ধেক গ্রাম করে নিয়ে একটা পাত্রে বেটে অপ্রয়োজনীও জায়গায় যেখানে লোম দরকার নেই, সেখানে প্রলেপ করে দিলে লোম ওঠা বন্ধ হয়ে যায়।

         তাহলে আয়ুর্বেদিক উপায়ে অল্প খরচে এবং নির্ভয়ে বাড়িতে বসে ছোট বড়ো সমস্যা সমাধান করতে পারেন।

মন্তব্যসমূহ