আয়ুর্বেদিক উপায়ে কিডনি স্টোন থেকে মুক্তি

|| আয়ুর্বেদিক উপায়ে কিডনি স্টোন থেকে মুক্তি  ||

              আমাদের ভারতবর্ষে অধিকাংশ মানুষই বাড়ির বাইরে খাবার খায়, আর এই অনিয়মে খাবার খাওয়ার জন্য শরীরে বিভিন্ন রকমের রোগ দেখা যায়। আর এই খাবারে এমনই কিছু কিছু জিনিস থাকে যা আমাদের শরীরকে আস্তে আস্তে ক্ষতি করতে থাকে। আজকাল যে রোগটা বেশি দেখা যায় সেটা হল কিডনিতে পাথর। কিডনি এবং পিত্তথলিতে পাথরের সমস্যা আজ লক্ষাধিক মানুষের হয়ে থাকে, যার ফলে তারা যন্ত্রণাদায়ক ব্যাথার সম্মুখীন হয়। তাই অনেকেই জানিয়েছে আয়ুর্বেদিক উপাইয়ে এর সমাধান কি আছে। আজকে এখানে জানাবো কিডনির পাথর কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে আয়ুর্বেদিক মাধ্যমে বের করা সম্ভব। কিন্তু যদি পিত্তথলিতে পাথর হয়ে থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ এখানে যেটা বলছি সেটা শুধুমাত্র কিডনির পাথরের ব্যাপারে।

              বরুণ গাছের ছালের রস কিডনির পাথর আস্তে আস্তে বের করে দেয়। এই রস বানানোর জন্য বরুণ গাছের ছাল, গোখরু, কুথলের ডাল এবং পাষাণভেদ এগুলো মিশিয়ে সকালে এবং সন্ধ্যা বেলা নিয়মিত পান করুন। তাহলে তাহলে আস্তে আস্তে পাথর বেরিয়ে যাবে । শ্রী আচার্য বালকৃষ্ণ-ও এর উল্লেখ করেছেন। এটা ব্যবহার করে অনেকেই পাথরের সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছে। এই রস পাথর বের করার জন্য ভালো চিকিৎসা হিসেবে মানা হয়। এমনকি এই রস খেলে হালকা বড় বড় পাথরও বেরিয়ে যায়। এটা অনেকেই প্রমাণ করে দেখিয়েছেন।


এই রস কখন, কিভাবে খাবেন :  সমান মাত্রায় বরুণ গাছের ছাল, গোখরু, কুথলের ডাল নিয়ে চার লিটার জলে ফুটাতে হবে, ততক্ষণ ফোটাতে হবে যতক্ষণ না সেই চার লিটার জল এক অথবা দেড় লিটারে পরিণত হবে। এবার এই গাঢ় ফোটানোর জলটা একটি পরিষ্কার পাত্রে রাখতে হবে এবং এটাকে নিয়মিত সকাল এবং সন্ধ্যায় খালি পেটে চার চামচ করে খেতে হবে। এই রস খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে কিছু খাওয়া যাবেনা। আর দিনে সব সময় বেশি করে জল খেতে হবে।



              তাহলে আমরা জেনে নিলাম ঘরে বসেই আয়ুর্বেদ পদ্ধতিতে কিভাবে কিডনির পাথর বের করা যায়।

মন্তব্যসমূহ